মোঃ জহরুল ইসলাম কাজিপুর প্রতিনিধিঃ করোনা ভাইরাসে গোটা বিশ্ব যখন
আতস্কিত,গৃহবন্দী হয়ে পড়েছে দিন মজুর ও খেটে খাওয়া নি¤œ আয়ের মানুষ । চলছে
এক ধরনের ঘোষিত –অঘোষিত লকডাউন ঠিক তখনই সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার
করোনা প্রভাবে অসহায় কর্মহীন মানুষের জন্য খাদ্য সহায়তা নিয়ে পাশে দাঁড়িয়েছে
সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার ২নং চালিতাডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের পরপর দুইবারের
নির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আতিকুর রহমান মুকুল। সাবেক স্বাস্থ্য মন্ত্রী আল
হাজ মোহাম্মাদ নাসিম এর নিদের্শনা ও সহযোগীতায় এবং সাবেক সাংসাদ
প্রকৌশলী তানভীর শাকিল জয় এর পরামর্শক্রমে চলমান করোনাপরিস্থিতিতে নানা মুখী
পদক্ষেপ গ্রহন করে যাচ্ছে তিনি নিজেই মাইক নিয়ে পথে ঘাটে হাটে বাজারে
সচেতনতামুলক প্রচার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন। ক্ষতিগ্রস্থ বিভিন্ন নি¤œ আয়ের
মানুষদের মাঝে বাড়ীতে বাড়ীতে গিয়ে ত্রাণ সামগ্রী পৌছেদিয়েছেন এমন কি
রাত্রীতেও খোজ খবর নিয়েছেন । বহিরাগত মানুষদের ঘরেফেরাতে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে
যাচ্ছেন, সামাজিক দুরুত্ব বজায় রাথতে বিভিন্ন পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন। তিনি এই
প্রতিবেদককে জানান, জনগনের উন্নয়ন মূলক কাজ করাই আমার মূল লক্ষ্য তিনি একজন
জনপ্রতিনিধি হিসেবে অধিক গুণে গুনান্বিত। ব্যক্তিগত ব্যক্তিগত জীবনে সৎ, নির্ভীক,
জনদরদী এবং এলাকার গরীব দুঃখী মানুষের বন্ধু হিসেবে পরিচিত।
তিনি ২নং চালিতাডাঙ্গা ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডের সর্বদাই উন্নয়ন মূলক
কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেন আমার এলাকার সম্মানিত ব্যক্তি
বর্গরাই ভালো বলতে পারবেন এই বিষয়ে আমি একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে এলাকায়
কেমন উন্নয়ন করতেছি আমি আশা করি আমার দায়িত্ব কালে একটি আধুনিক
ইউনিয়ন উপহার দিবো। এলাকার উন্নয়নের গতি সঞ্চার করতে যা দরকার তা আন্তরিক ভাবে
করে যাব। জানাযায় ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকল শ্রেণির পেশার মানুষের কাছে
প্রশংসিত একটি নাম আতিকুর রহমান মুকুল।
বিশেষ করে এলাকার শান্তি প্রিয় নারী পুরুষের কাছে খুবই আপনজন। ২নং
চালিতাডাঙ্গা ইউনিয়নের জনগণের সেবায় যেন খুব ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে তিনি। এ
কারনেই দলমত নির্বিশেষে সকলের কাছে প্রিয় নাম মুকুল চেয়ারম্যান।
এলাকার যে কোন সমস্যা সমাধানে সবার আগে ঝাপিয়ে পড়েন তিনি। তিনি চান
এলাকার জনগণের দ্বারগোড়ায় সেবা পৌছে দিতে। বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ
হাসিনার ভিশন ২০২১ বাস্তবায়নে ক্ষুধা দারিদ্র মুক্ত মাধ্যম সারির দেশ হিসেবে বাংলাদেশ
কে এগিয়ে নেওয়ার জননেত্রী শেখ হাসিনার গৃহীত পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন
তিনি। প্রধানমন্ত্রীর পুত্র ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপকল্প বাস্তবায়নের অগ্রসৈনিক তথ্য
প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজিব ওয়াজেদ জয় এর ভূয়সী প্রশংসা করেন। আতিকুর রহমান মুকুল
বলেন আমাদের উপজেলায়
ইউনিয়নে আমরা একজন যোগ্য চেয়ারম্যান পেয়েছি তার নির্দেশে প্রতিটি এলাকায়
দলমত নির্বিশেষে উন্নয়ন অব্যাহত থাকবে এটা আমার মূল। অদূর ভবিষ্যতেও জনগণের
পাশে থেকে মৃত্যুর আগ মুহুর্ত শাসক নয় জনগণের সেবক হয়ে কাজ করতে চাই বলে
জানান তিনি। তিনি বাল্যবিবাহ মাদকাসক্ত নিয়ন্ত্রনে এলাকায় ব্যাপক ভূমিকা পালন করে
আসছেন। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে নজরদারিত আছেন। ৯টি ওয়ার্ডে কর্মসৃজন প্রকল্প
বদলে দিলো গ্রামীণ উন্নয়নের চিত্র। ভয়াবহ করোনা ভাইরাসের কারণে সারা দেশের মতো
আমার ইউনিয়নে সাধারণ কর্মজীবী ও শ্রমিকরা কাজ করতে না পেরে তাদের পরিবার যেন
না খেয়ে থাকতে হয় সে কারণে হতদরিদ্র ও কর্মহীন ১১শ’ পরিবারের প্রত্যেকের বাড়ি
বাড়িতে ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছে দিয়েছি কোন মানুষকেই ত্রাণের জন্য ইউনিয়ন পরিষদে
আসতে হয় নাই। এই ত্রান কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।