আখাউড়া উপজেলাপ্রতিনিধিঃ-ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে অসহায় শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে আলোর সন্ধানে ‘স্বপ্নতরী’ নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন। এই সংস্থাটির উদ্যোগে পৌর শহরসহ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে প্রায় ৩ শতাধিক দুস্থ, সুবিধাবঞ্চিত ও হতদরিদ্র শীতার্তদের মাঝে উষ্ণতা বিলিয়ে দিতে কম্বল বিতরণ করেন।
ওই সংগঠনের সদস্যরা শনিবার বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত রেলওয়ে স্টেশন, খড়মপুর, গাজিরবাজার, মোগড়া, মনিয়ন্দ ও ধরখার এলাকায় ওইসব কম্বল বিতরণ করেন। কনকনে শীতে কম্বল পেয়ে দরিদ্র ও ছিন্নমূল শীতার্ত মানুষগুলোর চোখে-মুখে দেখা দিয়েছিল খুশির ঝিলিক।
এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্বপ্নতরীর উপদেষ্টা মো. জাকির হোসেন খান রানা, সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. শফিকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মো. মনিরুল ইসলাম, সহ-সভাপতি আরিফুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন খান বাপ্পি, মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা ফাতেমা বেগম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক তানজিব জামান, সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক জুয়েল আলীরাজ, হেলাল উদ্দিন ভূঁইয়া, শাহরিয়ার মোল্লা প্রমুখ।
স্বপ্নতরী সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, আলোর সন্ধানে স্বপ্নতরী হলো একটি সামাজিক সংগঠন। এই সংগঠনটি দীর্ঘ বছর ধরে সাধ্যনুযায়ী সমাজের অসহায় মানুষের কল্যাণে পাশে থেকে জনকল্যাণমুখী কাজ করে আসছে। অসহায় শীতার্ত মানুষের কষ্টের কথা ভেবে ৩ শতাধিক অসহায় দরিদ্র মানুষকে কম্বল দেওয়া হয়েছে। সবসময়ই সমাজের অসহায় হতদরিদ্র মানুষের পাশে আছি এবং থাকব।
রেলওয়ে স্টেশনে কম্বল পেয়ে হতদরিদ্র মর্জিনা বেগম বলেন বলেন, আমার স্বামী নেই, ঘর নেই, স্টেশনে থাকি। কম্বল না থাকায় এই শীতে রাতে অনেক কষ্ট করে থাকতে হয়। কম্বল পেয়ে খুবই খুশি।
তিনি আরো বলেন, যারা কম্বল দিলেন, তারা যেন অনেক দিন বেঁচে থাকেন। আল্লাহ তাদের ভালো রাখুক।
মন মিয়া বলেন, আমার ঘর বাড়ি কিছুই নেই। ভাসমান অবস্থায় আছি। কম্বল না থাকায় এই শীতে খুবই কষ্ট হয়। এই পযর্ন্ত কেউ কিছু দেননি। কম্বল পেয়ে মহাখুশি।