বরগুনাগামী এমভি অভিযান-১০ লঞ্চে আগুনে পুড়ে মর্মান্তিক মৃত্যুতে ২০২২ সালের ৮ জানুয়ারী বিকাল ৩ ঘটিকায় জাতীয় প্রেসক্লাব মাওলানা মোহাম্মদ আকরম খা হল জাতীয় প্রেসক্লাব, ঢাকা শোক সভা অনুষ্ঠিত হয়।
শোক সভায় সভাপতিত্ব করেন বরিশাল বিভাগ সমিতির সভাপতি ইতিহাসবিদ সিরাজ উদ্দীন আহমেদ।
প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- সাবেক মন্ত্রী, আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য ও ১৪ দলের সমন্বয়ক
আলহাজ্ব আমির হোসেন আমু এমপি
সভায় আলোচনা করেন- সাবেক উপ-মন্ত্রী সংসদ সদস্য এ্যাডভোকেট ধীরেন্দ্র দেবনাথ সমভু, সংসদ সদস্য জনাব শওকত হাচানুর রহমান রিমন, সাবেক সংসদ সদস্য নাছিমা ফেরদৌস, বাংলাদেশ খবরের সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আজিজুল ইসলাম ভূইয়া, বরিশাল বিভাগ সমিতির সহ-সভাপতি এ্যাডভোকেট খন্দকার সামছুল হক রেজা, বরগুনা জেলা সমিতির সাবেক সভাপতি এন আই খান, সাবেক অতিরিক্ত সচিব সুলতান আহমেদ তালুকদার, অতিরিক্ত সচিব আব্দুল হক, বরিশাল বিভাগ সমিতির সাধারণ সম্পাদক এম.এ জলিল, বরগুনা জেলা সমিতির সভাপতি এ্যাড. হারুন অর রশিদ, বরগুনা জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য মশিউর রহমান শিহাব, ন্যাপ ভাসানীর চেয়ারম্যান এম.এ ভাসানী, নারী নেত্রী ফৌজিয়া বেগম, বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের নির্বাহী সভাপতি ড. মশিউর মালেক, পিরোজপুর জেলা সমিতির নেতা সিদ্দিকুর রহমান, বরিশাল বিভাগ সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ.স.ম মোস্তফা কামাল, নারী নেত্রী এলিজা রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা লালচন্দ্র নাথ, যুবলীগ নেতা শামীম, বরিশাল বিভাগ সমিতির আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান।
প্রধান অতিথির ভাসনে আলহাজ্ব আমির হোসেন আমু বলেন অভিযান-১০ লঞ্চ আগুনে পুড়ার ঘটনার তদন্ত করে বিচারের আওতায় আনার দাবী জানিয়ে তিনি বলেন যাদের অবহেলায় এই লঞ্চ যাত্রীবহন করে ঢাকার সদরঘাট থেকে বরগুনা যাত্রা করেন তাদেরকেও বিচারের আওতায় আনতে হবে। সাথে সাথে বলেন আগামীতে যাতে এ ধরনের কোন দূর্ঘটনা না ঘটে সেজন্য কর্তৃপক্ষকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে হবে।
এ্যাডভোকেট ধীরেন্দ্র দেবনাথ সমভু বলেন- যাদের অবহেলার কারণে অভিযান লঞ্চে আগুন লেগেছে শতাধিক লোক মৃত্যুবরণ করেছে শতাধিক লোক আহত হয়েছে ৩২ জন লোক নিখোজ রয়েছে তার তদন্ত করে বিচারের আওতায় আনতে হবে এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে যাতে ভবিষ্যতে আর কোন লোক কাজে অবহেলা না করে।
জনাব শওকত হাচানুর রহমান রিমন বলেন- আমার নির্বাচনী এলাকায় বেশি লোক লঞ্চে আগুন লেগে পুড়ে মৃত্যুবরণ করেছে। আমি তাদের দাপন করেছি বাড়ি বাড়ি গিয়েছি দেখেছি মানুষের আত্মনাদ। আমি আশা করি ভবিষ্যতে এই আত্মনাদ যাতে না ঘটে তার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে কর্তৃপক্ষকে। সাথে সাথে তিনি বলেন লঞ্চে যারা পুড়েছে তাদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সদয় সম্মত হয়েছেন এবং আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন।
সভাপতির ভাষনে সিরাজ উদ্দীন আহমেদ বলেন- অভিযান লঞ্চে আগুনে পুড়ে মৃত্যুবরণকারীদের ক্ষতিপূরনের দাবীতে মামলা করতে হবে এবং বিচারের আওতায় আনতে হবে। মৃত্যুবরণকারী ও নিখোজদের ৫০ লক্ষ টাকা ও আহতদের ২০ লক্ষ টাকার ক্ষতিপূরণ দিতে হবে সরকারকে। এই ঘটনাটি হত্যা। এই হত্যা বাঙালি জাতি মেনে নিবে না। তারা রুখে দাড়াবেন।