দক্ষিণ অঞ্চলের বরিশাল বিভাগে অর্থনীতি বদলে দেওয়ার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পায়রা সেতু উদ্বোধন করে বরিশাল বিভাগ ও গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর জেলার জাগরন সৃষ্টি করায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ম শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন শুভেচ্ছা জানিয়ে বাংলাদেশ জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগ আজ বিকাল ৫ ঘটিকায় বাংলাদেশ শিশু কল্যাণ পরিষদ ৫ম তলায় ৫০৮ নং রুমে এক আলোচনা সভার আয়োজন করেছে ঢাকায়।
অভিনন্দন সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগের সভাপতি এম.এ জলিল।
আলোচনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাবেক রাষ্ট্রদূত অধ্যাপক ড. নিম চন্দ্র ভৌমিক
বক্তব্য রাখেন কাজী আরেফ ফাউন্ডেশনের সভাপতি কাজী মাসুদ আহমেদ, ন্যাপ ভাসানীর চেয়ারম্যান এম.এ ভাসানী, বরিশাল বিভাগ সমিতির যুগ্ম সম্পাদক আ.স.ম মোস্তফা কামাল, প্রকৌশলী ইসমাইল হোসেন, বাংলাদেশ জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগের সহ-সভাপতি মোহাম্মদ আলী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামীম হোসেন প্রমুখ।
প্রধান অতিথির ভাসনে অধ্যাপক ড. নিম চন্দ্র ভৌমিক বলেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালিদেরকে একটি স্বাধীন বাংলাদেশ উপহার দিয়েছেন। আর তারই কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দিয়েছেন স্বাধীন বাংলাদেশের উন্নয়ন এই উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ হয়েছে আধুনিক উন্নত পরিবেশের উন্নয়নের বাংলাদেশ। আমরা তার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি। নিম চন্দ্র ভৌমিক আরো বলেন বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সাধের বাংলাদেশ অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক, খুদা, দারিদ্র মুক্ত করতে হলে যোগাযোগ ব্যবস্থাকে প্রধানমন্ত্রী অগ্রাধিকার দিয়েছে তার ফল স্বরূপ বরিশালে পায়রা সেতু নির্মান করেছেন ও আজ উদ্বোধন করেছেন।
সভাপতির ভাষনে এম.এ জলিল বলেন দেশের উন্নয়নের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে আজকের এই আলোচনা সভা থেকে আমাদের দাবী কুয়াকাটা পর্যটন কেন্দ্র ও সামদ্রিক বন্দর পায়রার সাথে যদি পদ্মা সেতু থেকে ঘোসাইর হাট হয়ে হিজলা মেহেন্দীগঞ্জ, ভোলা, পটুয়াখালী মহাসড়ক নির্মাণ করলে ঢাকা থেকে কুয়াকাটা পায়রা বন্দর লোক যেতে পারবে ৬ ঘন্টা সময়ের মধ্যে সাথে সাথে আর একটি দাবী হল বরিশাল-ভোলা নেতু নির্মাণ। এই সেতু নির্মাণের মাধ্যমে মংলা বন্দর ও পায়রা বন্দর দ্বারা বৃহত্তর নোয়াখালী-কুমিল্লা-চট্টগ্রামে মালামাল আসা যাওয়া করতে পারবে অল্প সময় ও স্বল্প খরচে।