ক্লান্ত দুপুরে আসি নিত্য বড়াল নদীর পাড়ে,দেখি কত রকম পাখি আরশিয়াল বনের ঝাঁড়ে।
গ্রীষ্মের দুপুর আর বর্ষার দুপুর ভিন্ন কত প্রকৃতির বাতাসে,গ্রীষ্মে যায় নদী শুকায়ে আর বর্ষায় পানি আসে।
বড়ালের উপর নির্ভরশীল দোলং এর ছেলে জয়,জোয়ারে সে মাছ ধরে আর ভাটাতে ধান লাগায়।
বর্ষায় বড়াল হয় রূপসী ফুটে কচুর ফুল,বিকেলেতে নৌকা চলে ঢেঊ খেলে যায় দুইকূল।
আমিরুল মিয়া ছাগী চড়ায় বড়াল নদীর পাড়ে,সবুজ ঘাসে ছাগীর দুগ্ধ ক্রমান্বয়ে যায় বেড়ে।
শাওন মাঝি নৌকা চালায় বড়াল নদীতে,দুই টাকা নেয় সে নদীর ওই পাড়ে যেতে।
শিমুল পারভেজ সাঁতার খেলে জোয়ারের নয়া পানিতে,প্রতি বছর বড়শি দিয়েমাছ ধরে সে বড়াল নদীতে।
বড়ালের সাথে মিতালি মোদের সতত সর্বক্ষণে,বড়ালকে ভালোবাসি মোরা উজার করে মুক্তমনে।