মোঃ সুইট হোসেন,নওগাঁ জেলা প্রতিনিধিঃ জাহিদুর রহমান (৫০)। পেশায় ঢাকায় ভ্যান যোগে কাঁচামালের ব্যাবসা করতেন বর্তমানে দুই কিডনি রোগে আক্রান্ত। একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি অসুস্থ। ফলে দিশেহারা হয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করছে তার পরিবার। অর্থের অভাবে করানো হচ্ছে না চিকিৎসা। তাই স্বামীকে বাঁচাতে সকলের কাছে সহযোগীতা কামনা করেছেন স্ত্রী আনজুমা বেগম।
গাইবান্ধা জেলার রামনাথের ভিটা গ্রামের মৃতঃমফিজার রহমানের ছেলে জাহিদুর রহমান(৫০)। স্ত্রী আনজুমান(৩৫) কে বিয়ে করে নওগাঁর মাহাদেবপুর উপেজলার ভীমপুর গ্রামে বসবাস করতেন। স্ত্রী আর এক ছেলে-মেয়েকে নিয়ে বসবাস।ঘড়ভিটা ছাড়া আর কিছুই নেই তাদের সম্বল। প্রতি সপ্তাহে কিডনি রোগে আক্রান্ত জাহিদুরের জন্য ঔষধ কিনতে হচ্ছে বাকিতে।
জাহিদুর স্ত্রী আনজুমা জানান, প্রায় ৬ বছর যাবত আমরা ঢাকায় ছিলাম। আমি গার্মেন্টস চাকরি করে আর আমার স্বামী ভ্যানে করে কাচামালের ব্যাবসা করে সংসার চালাতাম। সংসার ছেলে-মেয়ে সবকিছু ঠিক মতোই চলছিলাম।হঠাৎ আমার স্বামী অসুস্থ হয়ে পড়লে ডাক্তার দেখেতে নিয়ে গিয়ে পরিক্ষা-নিরিক্ষা করে জানা যায় সে কিডনি রোগে আক্রান্ত এবং তার দেহের দুই কিডনির সমস্যা। পরে ডাক্তারের পরামর্শে ঢাকার শ্যামলীতে ন্যাশনাল কিডনি হাসপাতালে ভর্তি করিয়ে দেয়। এভাবে কিছুদিন চলার পরে হাসপাতালে ব্যায়বহুল খরচ হওয়ায় এবং হাতের যা জামানো টাকা ছিলো সব শেষ হয়ে গেলে আমার স্বামীকে নিয়ে নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার ভীমপুর গ্রামের বাড়িতে চলে আসি। স্বামী চিকিৎসা সংসার খরচ চালাতে আমার যা কিছু সস্বল ছিলো সব শেষ করে নিস্ব হয়ে গেছি বর্তমানে আমার বাড়ি ভিটা ছাড়া আর কিছুই নেই। কিন্তু বর্তমানে টাকার অভাবে
ঠিকমত চিকিৎসাও করাতে পারছিনা।স্বামী অসুস্থ হওয়ার কারণে ছেলে-মেয়ের পড়ালেখা বন্ধ হয়ে তাদেরকে ঠিকমত খবার দিতে পারছিনা।স্বামী ছেলে-মেয়ে মানবেতর জীবন যাপণ করছি। আমার স্বামীকে দ্রুত অপারেশান না করতে পারলে হয়তো আর বেশিদিন বাঁচানো সম্ভব না।যদি সমাজের বিত্তবানেরা আমার পরিবারের দিকে সাহায্য হাত বাড়িয়ে দিয়ে আমাকে সহযোগীতা করতেন তাহলে আমার স্বামী সহ আমার পরিবার এই মানবেতর জীবন-যাপন থেকে রক্ষা পেতাম এবং আমার স্বামীকে চিকিৎসা করাতে পারতাম। সে জন্য সামাজের বিত্তবান সহ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমার আকুল অবেদন আমার অসুস্থ স্বামীর চিকিৎসা কারানোর জন্য আমাকে সহযোগীতার হাত বারিয়ে দিয়ে আমার পরিবারকে মানবেতর জীবন-যাপন থেকে রক্ষা করবেন।
অসুস্থ জাহিদুর রহমান জানান, প্রায় ৭ মাস যাবত আমি কিডনি রোখে ভুগছি আমার রোজকারের ও আমার স্ত্রী রোজকারের যা সম্বল ছিল সব চিকিৎসার পিছনে ব্যায় করে শেষ করে ফেলেছি।আমি অসুস্থ হওয়ার পরে আমার এবং স্ত্রীর রোজকারের পথ বন্ধ হওয়ায় আমার চিকিৎসার খরচ এবং আমার ছেলে-মেয়ে নিয়ে অনেক বিপদে দিন পার করছি এমনকি অনেক সময় ঔষধ কিনার জন্য বাড়ি সবাইকে না খেয়েও দিন পার করতে হচ্ছে।বর্তমানে অনেক দুচিন্তায় দিন পার করছি আমার পরিবার নিয়ে।
আমার কিডনির অপারেশান করাতে অনেক টাকার প্রয়োজন তা আমার পক্ষে জোগাড় করা সম্ভাব হচ্ছে না। বর্তমানেঔষধ কিনার টাকা না থাকায় ফার্মেসী থেকে বাকি ঔষধ নিয়ে খেয়ে কোনমত বেঁচে আছি। এ সময় যদি সমাজের বিত্তবানরা এগিয়ে আসেন, তাহলে হয়তো আল্লাহর রহমতে সুস্থ হয়ে সবার মাঝে ফিরে আসতে পারবেন। তাই সকলের সহযোগীতা কামনা করেন তিনি।
এসবের মাঝে কি করে অপারেশনের টাকা জোগার করবেন? কোথায় পাবেন এতো টাকা? আবারো কি সুস্থ হয়ে চলতে পারবেন স্বাভাবিক জীবনে? নাকি অর্থের কাছে বিসর্জন দিবেন জীবনকে। এমন নানা দুশ্চিন্তায় দিন পার করছেন জাইদুর রহমান।
বিস্তারিত জানতে ও সহযোগীতা করতে
(স্ত্রী আনজুমা)০১৭২৭-২৭৬৭৫৪।
বিকাশ- ০১৯২২-৬৯৪৪৯৬
রকেট- ০১৭২৭-২৭৬৭৫৪