গোমস্তাপুর, প্রতিনিধি ঃ রেল মন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন এমপি চাঁপাইনবাবগঞ্জের রহনপুর রেলস্টেশন পরিদর্শনে আসছেন । শুক্রবার সকালে তিনি ঢাকা থেকে বিমান যোগে রাজশাহী এসে দুপুরে তিনি রাজশাহী থেকে বিশেষ ট্রেনযোগে রহনপুর রেল স্টেশনে এসে পৌঁছাবেন। সেখানে তাকে স্থানীয় আওয়ামলীগের পক্ষ থেকে গণ সংবর্ধনা দেয়া হবে। এদিকে গত মঙ্গলবার চাঁপাইনবাবগঞ্জ ২ আসনের সাবেক সংস;দ জিয়াউর রহমান তার সাথে সচিবালয়ে দেখা করে তার সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এদিকে সফরকে কেন্দ্র করে এলাকায় সাজ সাজ রব বিরাজ করছে। সাবেক সাংসদ জিয়া তার নির্বাচনী এলাকার প্রায় ২০টি দাবী তার কাছে উপস্থাপন করবেন বলে জানা গেছে। দাবীগুলো হলো রহনপুর রেলস্টেশনকে পূণাঙ্গ রেলবন্দরে রুপান্তর, রহনপুর রেলস্টেশনে ইয়ার্ড বৃদ্ধি, রেল স্টেশনের আশে-পাশে অবৈধ দখলে থাকা রেলওয়ের জায়গা দখলমুক্ত করে ভারত থেকে আসা মালামাল খালাসের ব্যবস্থা, ঈশ্বরদী-রহনপুর রুটে বন্ধ থাকা লোকাল ট্রেনসহ সকল ট্রেন পূর্ণরায় চালুকরণ, রহনপুর-সিঙ্গাবাদ রুট দিয়ে বাংলাদেশ-ভারত-নেপাল মৈত্রী ট্রেন চালুকরণ, নাচোল স্টেশনে পূণাঙ্গ ও রহনপুর স্টেশনের পশ্চিম পাশ্বে সেড নির্মান, রহনপুর থেকে ঢাকাগামী ট্রেনের বরাদ্ধকৃত টিকিট প্রদান পূনরায় চালুকরণ এবং এসি টিকিট বরাদ্ধ করা, রহনপুর ও নাচোল রেল স্টেশনে খাবার পানির ব্যবস্থা করা, রহনপুর-রাজশাহী রেলপথের লেভেলক্রসিং এ গেট নির্মান ও গেটম্যান নিয়োগ, নাচোল রেল স্টেশন মাষ্টারের অফিস ঘর নির্মাণ ও ঢাকাগামী যাত্রীদের টিকেট বরাদ্দ, রহনপুর ও নাচোল রেলস্টেশনে চত্তরে রেলওয়ে মার্কেট নির্মাণ, রেলস্টেশন গুলোতে মাতৃদুগ্ধ চেম্বার নির্মাণ ও গাড়ী পার্কিং এর ব্যবস্থা, রহনপুর-ঢাকা-রহনপুর সরাসরি ট্রেন চালুকরণ, রাজশাহী রেলস্টেশন থেকে রাতের বেলা রহনপুর অভিমূখী ট্রেন চালুর ব্যবস্থা করা ও রহনপুর রেলস্টেশনের ১নং প্লাটফর্মে ভারত থেকে আসা মালবাহী ট্রেন দীর্ঘ সময় না রাখা এবং বৃটিশ আমলে প্রস্তাবিত রহনপুর-সান্তাহার নতুন রেলপথ নির্মাণ ।উল্লেখ্য যে, পশ্চিম রেলওয়ের ভূসম্পত্তির রহনপুর-আমনুরা রেলপথের গোলাবাড়ী থেকে রহনপুর হয়ে ভারত সীমান্তবর্তী শিবরামপুর পর্যন্ত রেলওয়ের মোট ৩৭৮.৮৮ একর সম্পত্তি রয়েছে এর মধ্যে রহনপুর রেলস্টেশন ও তার আশেপাসে জায়গা রয়েছে ১৪৭.৮৪ একর জায়গা রেলের দখলে রয়েছে। বাকি সম্পত্তি বেদখলে রয়েছে। এর মধ্যে ০.৪৫ একর জায়গা বানিজ্যিক ভিত্তিতে ব্যবহারের জন্য লীজ দেয়া হয়েছে। এছাড়া কৃষি জমি হিসেবে ৮১.২৪ একর জমি জলাশয় হিসাবে ১২.০১ একর, বিএডিসির সার গুদামের জন্য ৫.০৩ একর জায়গা লীজ দেয়া হয়েছে। পতিত রয়েছে ৫৪.১৪ একর জমি এবং অবৈধ দখলে রয়েছে ৭৮.১৬ একর জমি। রহনপুর রেলস্টেশন এলাকায় রেলওয়ের জমি অবৈধ দখলদারদের অপতৎপরতায় সংক্রান্ত একটি সংবাদ বিভিন্ন স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। তা দখলমুক্ত করতে মাননীয় রেলমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষন করেছেন স্থানীয় জনসাধারণ।