ডেস্ক : তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, খালেদা জিয়া বলেছিলেন যে আওয়ামী লীগ সরকার পদ্মাসেতু করতে পারবে না। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে একটি নয়, দুটি পদ্মা সেতু করবে। কিন্তু আজকে ১২টার পর পদ্মা সেতুর শেষ স্প্যান বসে গেছে। পদ্মার দুই পার সেতু দিয়ে সংযুক্ত হয়ে গেছে।
খালেদা ও মির্জা ফখরুলকে উদ্দেশ্য করে মন্ত্রী বলেন, তারা এখন কি বলবেন? এ সেতু দিয়ে আপনারাও গাড়ি চালিয়ে যাবেন। তবে যদি লজ্জা থাকে তাহলে অনুরোধ জানাবো সেতুর নিচ দিয়ে যাবেন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে জয়পুরহাট জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে জেলা স্টেডিয়াম মাঠে প্রধান বক্তা হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওয়ায়দুল কাদের। সম্মেলনের উদ্বোধন করেন দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য আব্দুর রহমান।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, খালেদা বলেছিল আ.লীগ সরকার পদ্মা সেতু করলেও জোড়াতালি দিয়ে করবে। সেতু কোন বিল্ডিং নয় যে একবার ঢালাই দিলে হয়ে যাবে। সেতু জোড়া দিয়েই বানাতে হয়। খালেদার সেই জ্ঞানটি নেই।
ড. হাছান বলেন বলেন, বঙ্গবন্ধু শুধু বাংলাদেশের নেতা নয়, তিনি পুরো বিশ্বের বাঙালির নেতা। পৃথিবীতে এমন নেতা অনেক বিরল, যার ডাকে লাখো মানুষ দেশকে স্বাধীন করার জন্য প্রাণ দিয়েছেন। ৭৫ সালে যারা বঙ্গবন্ধুকে ও আ.লীগকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে পারেনি তারাই বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছে। আজকেও যখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে, তখন ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছি। তারাই ভাস্কর্যের বিরোধিতা করছে।
মন্ত্রী বলেন, আমরা স্বাধীনতা অর্জনের পর দশকের পর দশক ধরে পাকিস্তানিরা আমাদের নিয়ে হাসিঠাট্টা করতো। এই রাষ্ট্র একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে টিকে থাকতে পারবে কিনা তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করতো তারা। কিন্তু আজ প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে এমনভাবে এগিয়ে নিয়ে গেছেন যে পাকিস্তানের জনগণ বাংলাদেশের উন্নয়ন দেখে আক্ষেপ করেন।
জয়পুরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য সামছুল আলম দুদুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, আ.লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম কামাল, হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক রোকেয়া সুলতানাসহ বিভিন্ন নেতৃবৃন্ধরা।
সম্মেলনে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আরিফুর রহমান রকেটকে সভাপতি ও জেলা আ.লীগের সাবেক সহ-সভাপতি জাকির হোসেনকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়।