ভোলা প্রতিনিধি : ভোলায় জাতীয় পরিচয়পত্র পরিবর্তনসহ জালিয়াতির মধ্য দিয়ে একাধিক বিয়ে করে
স্বামীর সম্পদ হাতিয়ে নেয়া ও টাকার জন্য উল্টো স্বামীর পরিবারেকে মামলা দিয়ে হয়রানী
করার অভিযোগ ওঠেছে একটি ডায়ানোগষ্টিক সেন্টারের স্টাফ নুর-নাহার ওরফে
তামান্না আক্তারের বিরুদ্ধে। (২৬ অক্টোবর) সোমবার দুপুরে ভোলা প্রেসক্লাবে সংবাদ
সম্মেলনে এমন অভিযোগ তুলে ধরে লিখিত বক্তব্য দেন প্রথম স্বামী ওষুধ ব্যবসায়ী মোঃ
মহিউদ্দিন ।
মহিউদ্দিন অভিযোগ করেন, ২০০৮ সালে পারিবারিক ভাবে জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী নুর
নাহারের সঙ্গে বিয়ে হয়। তাদের একটি মেয়ে সন্তান রয়েছে। কিন্তু বিয়ের কয়েক বছরের
মধ্যে নুরনাহার নানা অসামাজিক কাজে জড়িয়ে পরেন। এর মধ্যে তিনি আগের বিয়ে
গোপন রেখে তামান্না আক্তার নাম দিয়ে নতুন জাতীয় পরিচয়পত্র খুলে ফের
ডায়াগনষ্টিকের স্টাফ সালমান রহমান নামের এক যুবককে বিয়ে করে। ওই ছেলের কাছ
থেকেও কাবিনের ১০ লাখ টাকা আদায় করে কেটে পড়ে। অপরদিকে মহিউদ্দিনের কাছ থেকে
এ পর্যন্ত ১১ লাখ টাকা, ৮ লাখ টাকার জমি হাতিয়ে নিয়েছেন। একই সঙ্গে
মহিউদ্দিনের কাছ থেকে আরো টাকা হাতিয়ে নিতে ওই পরিবারের বিরুদ্ধে ১০টি মামলা
করে হয়রানী করছেন।
এবিষয়ে নুরনাহার দ্বিতীয় নাম তামান্না আক্তারের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে
তিন ফোন ধরেননি এবং তার কর্মস্থল ডায়ানোগেষ্টিক সেন্টারে গেলে সাংবাদিকদের
উপস্থিতি টের পেয়ে তিনি পালিয়ে যান। মহিউদ্দিন ওই নারীর হাত থেকে মুক্তি পেতে
প্রশাসনের সাহায্য কামনা করেছেন ।