মোঃ এমদাদুল হক স্টাফ রিপোর্টার : সাজু নন্দীগ্রাম বগুড়া (প্রতিনিধি): কালে কালে একসাথে দাঁড়িয়ে আছে সিধইল গ্রামের মাঝে বট-পাইকুড় গাছ। এই গাছটি দেখার জন্য অনেক দূর দূর থেকে ছুটে আসেন গাছ প্রেমী মানুষেরা। যুগে যুগে বেঁচে থাকা মানুষদের মুখে মুখে শোনা যায় গাছটির ইতিহাস যা, শুনে যে কারো চমকে ওঠারই কথা। কেনই বা চমকে উঠবেন না,যদি শোনেন বট-পাইকুড় তাও আবার গাছে গাছে হয়েছে বিয়ে। এ জন্যই তো মানুষের জানার এতো কৌতুহল গাছটি নিয়ে। গাছটি সম্পর্কে জানতে চাইলে জানা যায় প্রায় ৭০০ বসর পূর্বে শান্তা পাগলী নামের একজন মহিলা মানুষ নন্দীগ্রাম উপজেলার সিধইল গ্রামে বসবাস করতো। তার কোন ছেলে মেয়ে ছিলোনা বলেই বট-পাইকুড় গাছ একসাথে রোপন করেন। পরবর্তিতে তার ইচ্ছা জাগে গাছ দুইটিকে বিয়ে দিবেন, যে কথা সেই কাজ। গ্রামের সকল মানুষদের দাওয়াত দিয়ে বাজ-বাজনার তালে নেচে গেয়ে মানুষদের পেটপুরে খাইয়ে বট-পাইকুড় গাছ নতুন কাপড়ে বেঁধে দেয়া হয় বিয়ে। এর পর থেকেই গাছ দুইটির নাম হয়ে যায় বিয়ে গাছ তোলা। বর্তমানে গাছটির দিকে নজর দিয়ে দেখলে বুঝতেই পারবেন না, কোনটি বট গাছ আর কোনটি পাইকুড় গাছ। একসাথে জোড়া-জুড়ি করে বড় হয়েছে গাছ দুটি। গাছটি যিনি লাগিয়েছিলেন শান্তা পাগলী, তার মরনের পরে কবর ও দেয়া হয়েছে গাছটির গোর ঘেষে।