বিশেষ প্রতিনিধিঃ ফটিকছড়ির জাফতনগরে মোহাম্মদ তকিরহাটসংলগ্ন মহসিন বাড়ি নিবাসী জনাব ফজল হক দীর্ঘ ৬/৭দিন জ্বর সহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত ছিলেন। স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা চলে আসছিল। ১০ জুন বুধবার সকাল ১১.০০ঘটিকায় নিজ বাসভবনে ইন্তিকাল করেন। মৃত্যুর পর করোনা উপসর্গ আছে কিনা এই ভয়ে এলাকার কেউ গোসল ও কাফন-দাফনে অংশগ্রহণ করতে অনীহা প্রকাশ করলে, পরিবারের পক্ষ থেকে গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ ফটিকছড়ি দক্ষিণের সভাপতি ও করোনা আক্রান্ত মৃতদের দাফন-কাফনে বৃহত্তর ফটিকছড়ির দক্ষিণের সমন্বয় মাওলানা সরওয়ার আলম আল কাদেরী ও তকিরহাট ইউনিটের মুহাম্মদ নওশাদ এর সাথে যোগাযোগ করা হয়। তখনই এই মহৎ কাজে এগিয়ে আসে গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ ফটিকছড়ি দক্ষিণ উপজেলা শাখার স্বেচ্ছাসেবকরা।
জনাব মুহাম্মদ ফজল হক সাহেবের মৃতদেহ গোসল, দাফন-কাফনে গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ ফটিকছড়ি দক্ষিণের স্বেচ্ছাসেবকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, আল্লামা সরওয়ার আলম আলকাদেরী, হাফেজ মুহিউদ্দীন,মুহাম্মদ নওশাদ, কাউছার ও ইউনুস প্রমূখ।উল্লেখ্য যে ইতিপূর্বে গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ ফটিকছড়ি দক্ষিণ উপজেলা শাখার পক্ষ থেকে বখতপুর শান্তিরহাট সংলগ্ন মিয়া বাড়ি নিবাসী কাতার প্রবাসী জনাব মুহাম্মদ তৌহিদুল আলমের গোসল, দাফন-কাফন সুসম্পন্ন করেছিলেন।