মোঃ আহসান হাবীব ঃ ময়মনসিংহ: করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে লকডাউনের কারণে কর্মহীন হয়ে পড়া মানুষের পাশে পিকআপভর্তি ফ্রি সবজি নিয়ে দাঁড়িয়েছে ময়মনসিংহ মহানগর ছাত্রলীগ। প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপে নগরের পাঁচ টি ওয়ার্ডে আট শত অসহায় মানুষের মধ্যে ফ্রি সবজি বিতরন করেছেন ময়মনসিংহ মহানগর ছাত্রলীগ নেতা এস এম নাসির উদ্দিন হীরার নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা। বুধবার (29 এপ্রিল )পর্যন্ত ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের (মসিক) পাঁচটি ওয়ার্ডের মধ্যে আটশত পরিবারের মধ্যে ফ্রি সবজি বিতরণ করা হয়েছে। এদিন সকালে বেগুন, পটল, ঢেরস, টমেটো, ডাটা, মিষ্টি কুমড়া, চাল কুমড়া, পুঁইশাক, পাটশাক, লালশাক, লাউশাক, শসাসহ নানা ধরনের শাক-সবজি বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়।এ বিষয়ে নাসির উদ্দিন হীরা জানান, দেশের এ দুঃসময়ে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ সভাপতি জয় ভাই ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভাই নির্দেশ দিয়েছেন। সে প্রেক্ষিতেই ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের নগর পিতা ইকরামুল হক টিটু ভাইয়ের পরামর্শে এ উদ্যোগ নিয়েছি আমরা। এজন্য গঠিত ওয়ার্ডভিত্তিক কয়েকটি টিম প্রতি এলাকার গিয়ে শাক-সবজি পৌঁছে দিচ্ছে। যতদিন এ দুর্যোগ থাকবে ততদিন ধাপে ধাপে আমাদের এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। এমন উদ্যোগের সাধুবাদ জানিয়ে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের মেয়র ইকরামুল হক টিটু বলেন, আমরা জানি দেশের মানুষের সব বিপদে-আপদে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা সবসময় তাদের পাশে দাঁড়ায়, অগ্র সৈনিক হিসেবে কাজ করে। ছাত্রলীগ নেতা হীরার এ উদ্যোগ অবশ্যই প্রশংসার দাবি রাখে। দেশের এ সংকটময় মুহূর্তে তার মতো অন্য নেতা ও বিত্তবানদের এগিয়ে আসতে হবে।করোনাভাইরাসে কারণে শ্রমজীবীদের কাজ বন্ধ থাকায় ময়মনসিংহে বিপাকে পড়েছে অসহায় কৃষক। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে যার স্থান থেকে করোনাভাইরাসের কারণে দেশে লকডাউন থাকায় অসহায়, মধ্যবিত্ত, শ্রমজীবী মানুষদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।
উল্লখ প্রকাশ থাকে যে, এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা মতে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের অনুপ্রেরণায় ও সিটি মেয়র ইকরামুল হক টিটুর নির্দেশে ময়মনসিংহ মহানগর ছাত্রলীগের এক ঝাঁক নেতাকর্মী অসহায় কৃষকের পাশে দাঁড়িয়েছে ময়মনসিংহ মহানগর ছাত্রলীগের নেতা হীরার নেতৃত্বে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা মসিক এর 29 নং ওয়ার্ডের উজান বারেরা এলাকায় কৃষকের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে।হীরার নেতৃত্বে মাঠ থেকে প্রায় আঠার কাঠা জমির ধান কেটে কৃষকের বাড়ি পযন্ত পৌঁছে দিয়েছেন।