সামসুজ্জামান সুমর স্টাফ রিপোর্টার রংপুর : নীলফামারী কিশোরগঞ্জে
পুটিমারী ইউনিয়নের কালিকাপুর গ্রামে সোমবার বেলা ১১টার দিকে
পুলিশ ও এলাকাবাসির মধ্যে সংঘর্ষে পুলিশসহ ১০ জন আহত হয়েছে।
আহতরা হলেন, ওসি (তদন্ত) মফিজুল ইসলাম (৫০), এস আই ওহাব
হোসেন (৩৫) গ্রামবাসির মধ্যে তহি বেগম (৪০), ইলিয়াছ হোসেন (৫০),
সাইফুল ইসলাম (২৮), ফিরোজ (৪০), ফারুক (২৫), মনির (২৫) ও
আনারুল ইসলাম (২৮)।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শি সূত্রে জানা গেছে, কালীকাপুর গ্রামের ইছামামুদের
ছেলে তছলিম উদ্দিন ও তার লোকজনের সাথে জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে
ময়দান কমিটির লোকজনের সকাল ১১টার দিকে উত্তেজন বিরাজ করে।
তছলিম উদ্দিন ৯৯৯ লাইনে পুলিশকে ফোন করে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে
ইলিয়াছ হোসেনের সাথে পুলিশের তর্ক বাধে। একপর্যায় সে সেখান থেকে
সরে যাওয়া জন্য নদীতে নামে। পুলিশও তার পিছু নিয়ে ইলিয়াছকে ধরে
নদীর পানিতে নাকানি চুবানি খাওযায়। স্বামীর এঘটনা দেখে স্ত্রী তহি
বেগম এগিয়ে গেলে তাকেও পুলিশ এলোপাথারি মারপিট করে। তহির
বেগমের রক্তক্ষরণ দেখে এলাকাবাসি পুলিশকে চারদিক থেকে ঘিরে ধরে।
ঘটনাস্থলে থাকা এস আই ওহাব হোসেন পরিস্থিতি বেগতিক দেখে
অতিরিক্ত পুলিশ চেয়ে থানায় খবর পাঠায়। পরে ওসি তদন্ত মফিজুল
ইসলামের নেতৃত্বে এক দল পুলিশ গিয়ে এলাকাবাসিকে লাঠি চার্জ শুরু
করলে দু-পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এসময় এলাকাবাসির কিল ঘুষিতে
তিনি আহত হন। আহত ওসিকে প্রথমে কিশোরগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে
ভর্তিকরা হলে জরুরী বিভাগের চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসা জন্য
রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন ।
ময়দান কমিটির সভাপতি চাঁদ চৌধুরী জানায়, প্রাথমিক পর্যায় ইলিয়াছ
হোসেনের সাথে পুলিশের জমির সীমানা নিয়ে তর্কাতর্কি বাধে এক পর্যায়
ইলিয়াছ সেখান থেকে সরে যাওয়ার জন্য নদীতে নামে সেখানে পুলিশ
গিয়ে তাকে পানিতে চুবাতে থাকে ।
উপজেলা পরিষদ চেয়াম্যান আবুল কালাম বারি পাইলট জানায় আমি
ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে আহত ওসি (তদন্ত) মফিজুল
ইসলামকে চিকিৎসার জন্য এ্যাম্বুলেন্সে তুলে দেই।
কিশোরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ হারুন অর রশিদ জানায়, তছলিম
উদ্দিন ও ময়দান কমিটির মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করায় ৯৯৯ ফোন
পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে গ্রামবাসি পুলিশের উপর অর্তকিত হামলা
করলে উভয় পক্ষে মধ্যে সংঘর্ষ বাধে।