মোঃ এমদাদুল হক স্টাফ রিপোর্টার : বগুড়ার নন্দীগ্রামে ১৩বছর বয়সী মেয়েকে অপহরন চেস্টায় ব্যার্থ হয়ে পরবর্তীতে হামলা চালিয়ে ৫জনকে গুরুতর আহত সহ খরের পালায় আগুন দিয়েছে অপহরনে অংশগ্রহনকারী সন্ত্রাসীরা, এঘটনায় আহতরা বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে, ঘটনাসুত্রে যানাযায়, উপজেলার ৩নং ইউনিয়নের অন্তর্গত মাটিহাস গ্রামের মোঃ হারুনের ছেলে মোঃ হারিছ একই ইউনিয়নের কোলদিঘী গ্রামের প্রবাসীর ১৩বছর বয়সী মেয়ের সাথে প্রেমের সম্পর্ক করে ১বছর আগে অপহরন করে নিয়ে যায়, এ ঘটনায় পুলিশ মেয়েটিকে উদ্ধার তার বাবা মার কাছে ফিরিয়ে দেয়, এঘটনায় কোন মামলা করেনি মেয়ের পরিবার, পরবর্তীতে অপহরনকারী মোঃ হারিছ বিভিন্ন সময় মেয়ের পরিবার কে ভয়ভীতি প্রদর্শন সহ পুনরায় অপহরনের হুমকি দিয়ে আসছিলো, তারি ধারাবাহিকতায় গত ৯ অক্টবর শুক্রবার রাত ৮টায় ২টি মটর সাইকেল যোগে কোলদিঘী গ্রামে গিয়ে মেয়েটিকে অপহরনের চেস্টা করে, পরে মেয়েটির ভাইদের ধাওয়া খেয়ে অপহরনে ব্যার্থ হয়ে তাদের নিজ গ্রাম মাটিহাস গিয়ে ঘটায় লঙ্কাকান্ড, অপহরন কারীরা রাত ১২টায় তাদের গ্রাম মাটিহাসে থাকা মেয়েটির খালা খালুর বাড়িতে খরের পালায় আগুন ধরিয়ে দেয় এবং রামদা হাসুয়া সহ দেশীয় অত্রে সু-সজ্জিত হয়ে বাড়িতে হামলা চালায়, এসময় তাদের আত্মচিৎকারে এলাকাবাসী ছুটে আসলে হামলা কারীরা পালিয়ে যায়, পরে হামলার শিকার মেয়েটির খালু, খালাতো ভাই, ভাবি ও খালার দেবর ভাসুর সহ ৫জন কে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠিয়ে দেয়, গ্রামবাসী জানান, মোঃ হারিছ একজন মাদকাসক্ত ছেলে, সে এলাকার ভালো ভালো ছেলেদের মাদক খাইয়ে নস্ট করছে, যে মেয়েটিকে নিয়ে ঘটনা ১বছর আগেও সেই ছোট মেয়েটিকে অপহরন করেছিলো পরে পুলিশ মেয়েটিকে তার কবল থেকে উদ্ধার করেছে, আজ আবার সেই মেয়েটিকে অপহরনে ব্যার্থ হয়ে এমন লঙ্কাকান্ড ঘটিয়েছে, উক্ত বিষয়ে ৫ জন কে আসামী করে এবং ৪/৫ জনকে অজ্ঞাত দেখিয়ে নন্দীগ্রাম থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার। উক্ত বিষয়ে নন্দীগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শওকত কবির জানান আমরা অভিযোগ পেয়েছি সুস্ঠ্য তদন্তের মাধ্যমে আইনানুক ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।