আব্দুল্লাহ আল মামুন,বেনাপোল প্রতিনিধি: যশোর শার্শা উপজেলার সীমান্তের গ্রামগুলোতে বসে মাদকের হাট। সীমান্তের পুটখালী গাতিপাড়া কাশিপুর থেকে দাউদখালি পর্যন্ত বিস্তৃত সীমান্তের অনেক গ্রামে প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে ফেনসিডি, গাঁজা বা ইয়াবা।
দিনভর মাদকসেবীরা মোটরসাইকেল নিয়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে সীমান্তের গ্রামগুলোতে। যশোর খুলনা, নড়াইল, মাগুরাসহ আশপাশের জেলাগুলো থেকে মাদকসেবীরা আসছে। মাদক পাচারের সঙ্গে চলছে অস্ত্র, স্বর্ণ ও বৈদেশিক মুদ্রা পাচারও। গোটা যশোর জেলার সঙ্গে ভারতের ৭০ কিলোমিটার সীমান্ত পথ।
সীমান্ত সুরক্ষায় ও চোরাচালান প্রতিরোধে কাজ করছে বিজিবি ও পুলিশের পাঁচ শতাধিক সদস্য। শার্শা সীমান্তে নাইট ভিষণ ক্যামেরা, ভাসমান, বিওপি,নৌরুট স্পিডবোট সহ টহল অব্যাহত থাকলেও রোধ করা যাচ্ছে না চোরাচালান।
৪৯ ব্যাটালিয়ন বিজিবির অধিনায়ক লেঃ কর্নেল সেলিম রেজা বলেন, সবার সহযোগিতা পেলে খুব শিগগিরই পাচার কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে আসবে।
শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বদরুল আলম জানান মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্তা নেওয়া হচ্ছে চুরির ঘটনায় অভিযোগ পেলে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য: মাদক ব্যবসায়ীরা লাগামহীন ভাবে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে তেমনি একাধিক স্থানে চুরি সংঘটিত হচ্ছে সেই সাথে প্রতারক চক্র গ্রুপগুলো সক্রিয় হয়ে উঠেছে। এতে করে উপজেলার সাধারণ মানুষ প্রশাসনিক দুর্বলতাকে দায়ী করছেন। এবং পুলিশের রহস্য জনক ভাবে দায় এড়ানো কর্মকান্ড দেখে উপজেলার বাসিন্দারা হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছে।ইহাতে জনগণ চোরাকারবারীদের হাতে দিনদিন জিম্মি হয়ে পড়েছেন এলাকাবাসী আইন প্রয়োগকারী কে দায়ী করছেন